পবিত্র কুরআনে ৮২ বারের মতো সালাতের কথা এসেছে। যা অন্য কোন ইবাদতের ব্যাপারে এত বেশি আসেনি। এতেই সালাতের গুরুত্ব প্রকাশ পায়। সবগুলো বিশ্লেষণ করে শেষ করা যাবে না তাই নিম্নে গুরুত্বপূর্ণ অল্পকিছু আয়াত এর অনুবাদ সহ তুলে ধরা হলোঃ
সূরাহ বাকারাহ : মহান আল্লাহ বলেন, ‘(মুত্তাকী) তারা যারা অদেখা বিষয়ের উপর বিশ্বাস করে, নামাজ প্রতিষ্ঠা করে এবং আমি যা দিয়েছি তা হতে (সৎপথে) ব্যয় করে।’ (আয়াত নং-৩)
‘আর নামায কায়েম করো, যাকাত দাও এবং নামাযে অবনত হও তাদের সাথে যারা অবনত হয়।’ (আয়াত নং-৪৩)
‘তোমরা ধৈর্য ও নামাযের মাধ্যমে সাহায্য চাও। অবশ্যই তা কঠিন। কিন্তু বিনয়ীদের পক্ষেই তা সম্ভব।’ (আয়াত নং-৪৫)
‘তোমরা নামায প্রতিষ্ঠা কর এবং যাকাত দাও। তোমরা নিজের জন্য পূর্বে যে সৎকর্ম প্রেরণ করবে তা আল্লাহর কাছে পাবে। তোমরা যা কিছু কর নিশ্চয় আল্লাহ তা প্রত্যক্ষ করেন।’ (আয়াত নং-১১০)
‘নামাযের প্রতি যত্নবান হও। বিশেষ করে মধ্যবর্তী নামাযের ব্যাপারে। আর আল্লাহর সামনে একান্ত আদবের সাথে দাঁড়াও।’ (আয়াত নং-২৩৮)
‘নিশ্চয় যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছে, সৎকাজ করেছে, নামায প্রতিষ্ঠা করেছে এবং যাকাত দিয়েছে তাদের জন্য পুরস্কার তাদের প্রভুর কাছে।’ (আয়াত নং-২৭৭)
‘যখন তোমরা কোন দেশ সফর কর, তখন নামাযে কিছুটা হ্রাস করলে কোন গোনাহ নেই…।’ (আয়াত নং-১০১)
‘যখন আপনি নামাযে দাঁড়ান তখন যেন একদল দাঁড়ায় আপনার সাথে…।’ (আয়াত নং-১০২)
সূরাহ মায়িদাহ : ‘হে মুমিনেরা যখন নামাযে দাঁড়াও তখন স্বীয় মুখম ল ও হাতদ্বয় কনুই পর্যন্ত ধৌত কর…।’ (আয়াত নং-৬) ‘আল্লাহ বলে দিলেন, আমি তোমাদের সাথে আছি যদি তোমরা নামায কায়েম কর…।’ (আয়াত নং-১২) ‘যারা নামায কায়েম করে, যাকাত দেয় এবং বিনয়ী।’ (আয়াত নং-৫৫) ‘আর যখন নামাযের জন্য আহবান কর, তখন তারা একে উপহাস ও খেলা বলে মনে করে। কারণ তারা নির্বোধ।’ (আয়াত নং-৫৮) ‘শয়তান তো চায় মদ ও জুয়ার মাধ্যমে তোমাদের পরস্পরের মধ্যে শত্রুতা ও বিদ্বেষ সঞ্চারিত করে দিতে এবং আল্লাহর স্মরণ ও নামায হতে বিরত রাখতে…।’ (আয়াত নং-৯১)
‘যদি তোমাদের সন্দেহ হয় তবে উভয়কে নামাযের পর থাকতে বলবে…।’ (আয়াত নং-১০৬)
সূরাহ আনআম : ‘তা এই যে, নামায কায়েম কর ও তাঁকে ভয় কর।’ (আয়াত নং-৭২) ‘যারা পরকালে বিশ্বাস করে তারা এর প্রতি (কুরআন) বিশ্বাস করে ও স্বীয় নামাযের সংরক্ষণ করে।’ (আয়াত নং-৯২) ‘বলুন, আমার নামায, আমার কুরবানী এবং আমার জীবন ও আমার মরণ সবই বিশ্বপ্রভু আল্লাহরই জন্য।’ (আয়াত নং-১৬২)
সূরাহ ‘আরাফ : ‘আর যেসব লোক সুদৃঢ়ভাবে কিতাবকে আঁকড়ে থাকে এবং নামায কায়েম করে, নিশ্চয়ই আমি সৎকর্মশীলদের সওয়াব বিনষ্ট করি না।’ (আয়াত নং-১৭০)
সূরাহ তাওবা : ‘তবে যদি তারা (মুশরিক) তাওবা করে, নামায প্রতিষ্ঠা করে ও যাকাত দেয় তাহলে তাদের পথ ছেড়ে দাও।’ (আয়াত নং-০৫)
‘অবশ্য তারা যদি তাওবা করে, নামায কায়েম করে ও যাকাত দেয় তাহলে তারা তোমাদের দ্বীনি ভাই।’ (আয়াত নং-১১)
সূরাহ ইউনূস : ‘আমি নির্দেশ পাঠালাম মূসা ও তাঁর ভাইয়ের প্রতি, তোমরা তোমাদের জাতির জন্য মিসরের মাটিতে ঘর বানাও আর তোমাদের ঘরগুলো কিবলামুখী বানাবে, নামায কায়েম করবে। আর যারা ঈমানদার তাদের সুসংবাদ দিবে।’ (আয়াত নং-৮৭)
সূরাহ হূদ : ‘তারা বলল হে শুয়াইব, তোমার নামায কি তোমাকে এ শিক্ষা দেয় যে, আমরা ঐসব উপাস্যদের ত্যাগ করব আমাদের বাপ-দাদারা যাদের উপাসনা করত?…। (আয়াত নং-৮৭)‘আর দিনের দুপ্রান্তে নামায ঠিক রাখবে এবং রাতেরও প্রান্তভাগে।’ (আয়াত নং-১১৪)
সূরাহ ইবরাহীম : ‘বলুন, আমার বান্দাদেরকে যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছে তারা নামায কায়েম করুক এবং আমার দেয়া রিয্ক হতে গোপন ও প্রকাশ্যে ব্যয় করুক ঐ দিন আসার পূর্বে যেদিন কোন বেচাকেনা নেই এবং বন্ধুত্বও নেই।’ (আয়াত নং-৩১) ‘হে আমার প্রভু! আমি নিজের এক সন্তানকে তোমার পবিত্র গৃহের সন্নিকটে চাষাবাদহীন উপত্যকায় আবাদ করেছি। হে আমার প্রভু! যাতে তারা নামায কায়েম করে…।’ (আয়াত নং-৩৭) ‘হে প্রভু! আমাকে নামায কায়েমকারী করুন এবং আমার সন্তানদের মধ্য থেকেও। হে প্রভু! কবুল করুন আমাদের দু‘আ।’ (আয়াত নং-৪০)
সূরাহ ইসরা : ‘সূর্য ঢলে পড়ার সময় থেকে রাতের অন্ধকার পর্যন্ত নামায কায়েম করুন এবং ফজরের কুরআন পাঠও…।’ (আয়াত নং-৭৮)
‘আপনি নিজের নামায আদায়কালে স্বর উচ্চ এবং নিঃশব্দেও পড়বেন না। মধ্যমপন্থা অবলম্বন করুন।’ (আয়াত নং-১১০)
সূরাহ মারইয়াম : ‘আমি যেখানেই থাকি তিনি আমাকে বরকতময় করেছেন, তিনি আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন যতদিন জীবিত থাকি ততদিন নামায আদায় করতে ও যাকাত দিতে।’ (আয়াত নং-৩১)
সূরাহ ত্বহা :
‘(হে নবী) আপনি আপনার পরিবারের লোকদেরকে নামাযের আদেশ করুন এবং আপনি নিজেও এর উপর অবিচল থাকুন।’ (আয়াত নং-১৩২)
সূরাহ আনকাবূত : ‘আপনি আপনার প্রতি প্রত্যাদিষ্ট কিতাব পাঠ করুন এবং নামায কায়েম রাখুন। …’ (আয়াত নং-৪৫)
সূরাহ লুকমান : ‘
‘হে বৎস! নামায কায়েম কর, সৎকাজ এর আদেশ কর ও অসৎকাজে নিষেধ কর এবং বিপদাপদে সবর কর।’ (আয়াত নং-১৭)
সূরাহ জুমু‘আ : ‘হে বিশ্বাসীরা! জুমু‘আর দিন যখন তোমাদের নামাযের আহবান করা হয় তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণে ত্বরা কর।’ (আয়াত নং-৯)
‘যখন নামায সমাপ্ত হয় তখন তোমরা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড় এবং আল্লাহর অনুগ্রহ তালাশ কর।’ (আয়াত নং-১০
হৃদয় ছোঁয়া তেলাওয়াত ❤ ---------------------------------------
দক্ষিন এশিয়ার বিখ্যাত ▶ ক্বারী শাকীর কাস্মী (পাকিস্তান)
বাংলা অনুবাদ ▶ হাফেজ মুনির উদ্দীন আহমেদ ( আল কুরআন একাডেমী লন্ডন)
অনুবাদে কন্ঠ ▶ সৈয়দ ইসমত তোহা (বাংলাদেশ)
প্রকৃতির পাশাপাশি মহান আল্লাহর বাণী মহাগ্রন্থ আল কুরআন যারা ভালো বাসেন তাদের জন্য আমার এই ইউটিউব চ্যানেল! মহাগ্রন্থ আল কুরআন ১১৪ সুরা নিয়ে কাজ করছি ইনশাআল্লাহ! সহজ ভাষায় বঙ্গানুবাদসহ ভালোমানের কলিজা শীতল কণ্ঠে কারীর তেলাওয়াত ব্যবহার করার চেষ্টা করেছি!
Edit by : mahfuz art of nature (mahfuz mizbah uddin)
❤Thanks for watching.
LIKE |
COMMENT |
SHARE |