ওলামা সম্মেলন রাজশাহী ২০২২ | ৬ষ্ঠ খন্ড | আল্লামা নুরুল ইসলাম ওলিপুরী ওয়াজ | সকল প্রকার মাসয়ালা-মাসায়েল জানতে চ্যালেনটি Subscribe করে রাখুন এবং Share করুন।Subscribe to our channel to hear more new research findings and keep pressing the bell button to receive regular update messages.
subscribe Link- https://bit.ly/2NKbKti
Channel Link- https://bit.ly/3kvP7Vu
🔊 In addition, For any copyright issue OR business inquiry please contact us our Facebook page OR Mail (almazhab@gmail.com).
⚠️ANTI-PIRACY WARNING⚠️
Any unauthorized reproduction, redistribution or re-uploading of this material is strictly prohibited. Legal actions will be taken against those who violate the Mazhab Media Or Youtube copyright rule.
#মাযহাব_মিডিয়া #nurul_islam_olipuri_Waz
হুজুরের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
নামঃ- আল্লামা নূরুল ইসলাম ওলীপুরী
জন্মঃ- ১৯৫৫ খৃস্টাব্দে।
বাংলাদেশের বৃহত্তর সিলেটের অন্তর্গত হবিগঞ্জ জেলার
সদর উপজেলাধীন ওলীপুর নামক গ্রামে এক মুসলিম সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
নূরুল ইসলাম ওলীপুরী ইবনে হযরত মাওলানা আব্দুর রহীম রহ. হবিগঞ্জ জেলার সদর উপজেলাধীন গৌরাঙ্গের চক পরগণার স্বনামধন্য ব্যক্তিত্ব নঈম উল্লাহ তালুকদারের বংশধর।
পরিবারঃ মাওলানা ওলীপুরী তিনি ৫ সহোদর এবং
২ সহোদরার মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ।
মাওলানা ওলীপুরী যখন পাঁচ বছরের শিশু,
তখনই মাতা-পিতাকে হারিয়ে এতীম হয়ে পড়েন।
বসন্ত রোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর পিতা-মাতা,
বড় ভাই মাওলানা আব্দুস সামাদ ও বড় বোন গুলেনূর
মাত্র দু’সপ্তাহের ব্যবধানে পরিবারের প্রধান চারজনের ইন্তেকালে তাঁর পরিবার ও তিনি চরম বিপর্যয়ের সম্মুখীন হন।
লেখাপড়াঃ
বড় বোন গুলেনূর রহ.-এর নিকট তাঁর লেখাপড়ার হাতেখড়ি। তাঁর নিকট থেকেই আরবী ও বাংলা বর্ণের পরিচিতি লাভ করেন।
এরপর দু’বছর বাড়ির পাশে শরীফাবাদ প্রাইমারী স্কুলে লেখাপড়া করেন।
অতঃপর কিশোরগঞ্জ জেলা শহরে অবস্থিত প্রসিদ্ধ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জামিয়া ইমদাদিয়ায় ভর্তি হয়ে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপ্ত করেন। (সেখানে শতাধিক সহপাঠীর মধ্যে প্রায়ই তিনি প্রথম স্থান অধিকার করতেন।)
অতঃপর মাধ্যমিক শিক্ষা গ্রহণের জন্য হবিগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী দ্বীনী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জামেয়া ছা’দিয়া রায়ধর মাদরাসায় ভর্তি হন। সেখানে প্রথম বিভাগে প্রথম স্থান লাভ করে মাধ্যমিক শিক্ষা সমাপ্ত করেন। (এখানে অধ্যয়নকালেই স্বীয় পিতার প্রাণপ্রিয় শিক্ষাগুরু হযরত মাওলানা আসাদুল্লাহ রহ.-এর সুযোগ্য উত্তরসূরী, মুজাহিদে মিল্লাত হযরত মাওলানা মুখলিসুর রহমান রহ.-এর সান্নিধ্য লাভে ধন্য হন এবং হক্ব প্রতিষ্ঠায় বাতিল বিরোধী সংগ্রামের বিশেষ প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।
অতঃপর উচ্চ শিক্ষার উদ্দেশ্যে ঢাকার বিখ্যাত প্রতিষ্ঠান জামেয়া কুরআনিয়া লালবাগে ভর্তি হন।সেখানে ১৯৭৫ খৃস্টাব্দে দাওরায়ে হাদীস (তাকমীল ফিল হাদীস) সমাপ্ত করেন।
অতঃপর ভারত উপমহাদেশের শীর্ষস্থানীয় তাফসীর বিশারদ হযরত মাওলানা আহমদ আলী লাহুরী রহ.-এর সুযোগ্য শিষ্য হযরত মাওলানা শামসুদ্দীন কাসেমী রহ.-এর নিকট জামেয়া হুসাইনিয়া আরযাবাদ, মীরপুর, ঢাকায় ১৯৭৭ খৃস্টাব্দে তাফসীর বিষয়ে বিশেষ প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।
অতঃপর তিনি কয়েকজন বুজুর্গ ব্যক্তিদের থেকে তরিকতের দীক্ষা নিয়েছেন তাদের মধ্যে অন্যতম আল্লামা শাহ আহমদ শফী (দা.বা.)। মহাপরিচালক: মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারী, চট্টগ্রাম।
কর্মজীবনঃ–
আল্লামা ওলীপুরী শিক্ষকতার মাধ্যমে তার কর্মজীবন শুরু করেন। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা শেষে, তিনি কয়েক বছর হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার অধীনে শাহপুর হুসাইনিয়া মাদ্রাসায় হাদিস এবং তাফসীর সহ অন্যান্য বিষয়ে শিক্ষাদান করেন।
এরপর তিনি ‘জামিয়া সাদিয়া রাইধর মাদ্রাসায় আট বছর শিক্ষকতা করেন। পরবর্তীতে তিনি এক দশকের বেশি সময় ধরে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার অধীনে দারুস সুন্নাহ মাদ্রাসা মনতলার প্রধান পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন।
২০০০ সালে, আল্লামা ওলীপুরী শায়েস্তাগঞ্জে মাদ্রাসায়ে নূরে মদিনা প্রতিষ্ঠা করেন এবং তখন থেকে আজ পর্যন্ত মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালকের দায়িত্ব পালন করছেন।
দাওয়াতঃ-
আল্লামা নূরুল ইসলাম ওলীপুরী দেশে এবং বিদেশে একজন জনপ্রিয় বক্তা হিসেবে পরিচিত হয়েছেন। হযরত মাওলানা নূর উদ্দীন গহরপুরী রহ.-এর ভাষায় “মাওলানা ওলীপুরী আহলে সুন্নত ওয়াল জামা’তের ভাষ্যকার।”
শায়খুল হাদীস মাওলানা আশরাফ আলী দা. বা.-এর ভাষায় “মাওলানা ওলীপুরী খতীবে আ’যম” উপাধীতে ভূষিত হয়েছেন।
দেশের আলেমগণ তাকে খতিবে আজম হিসেবে ডাকেন। তিনি হক হক্কানীয়াতের একনিষ্ঠ মুখপাত্র।
তিনি বাতিলদের মুখোশ উন্মোচনে এক যুগান্তকারী ব্যক্তিত্ব। তিনি আলেমদের আলেম । বাংলাদেশে এমন কওমী আলেম খুব কমই আছে যার বয়ান শুনে উপকৃত হয়নি/ শুনেনি। এবং জনসমক্ষে বক্তৃতা দেয়ার জন্য যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, মধ্য প্রাচ্য এবং দক্ষিণ এশিয়ার অনেক দেশ ভ্রমণ করেছেন।
মুনাযিরঃ-
হককে বুলন্দ ও বাতিলকে বলুন্ঠ করতে মাওলানা ওলীপুরী জীবনে বহুবার বিভিন্নভাবে বাতিলপন্থীদের মুকাবেলা করতে হয়েছে। তন্মধ্যে বাহাস-মুনাযারা তথা বিতর্কানুষ্ঠানের বিষয়টি উল্লেখযোগ্য। তারমধ্যে
১০,৯,১৯৮৪ ইং নরসিংদী গাগুটিয়া স্কুল মাঠে
১৮,৯,১৯৯৩ ইং কিশোরগঞ্জ বাজিতপুরে।
১৯,৬,১৯৯৭ ইং, ঐতিহাসিক নেত্রকোনার বাহাস।
৩০,১২,১৯৯৮ ইং, নরসিংদীর রায়পুরা
এছাড়াও তিনি বারবার বাতিলদের মুখোমুখি হয়েছেন।
আলহামদুলিল্লাহ। তিনি প্রতিটি বিতর্কানুষ্ঠানে হক্বের ঝাণ্ডা সমুন্নত রেখেছেন। পরাভূত করেছেন বাতিল পন্থীদের।
লেখকঃ-
তিনি একাধারে মাদ্রাসার একজন শিক্ষক
বিশ্বময় একজন দায়ী
মাঠে ময়দানে একজন ওয়ায়েজ
তর্ক আনুষ্ঠানিক একজন মুনাজির
বাতিল মোকাবেলায় একজন মুজাহিদ
মসজিদে একজন ইমাম
গবেষণায় তিনি একজন মুজতাহিদ
ঠিক তেমনি ভাবে লেখালেখিতে তিনি একজন কলামিস্ট
তার রচিত বেশ কয়েকটি বই রয়েছে
তারমধ্যে উল্ল্যেখযোগ্য হলঃ
১) প্রকৃত আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত পরিচিতি
২) ইসলাম ও আধুনিক বিজ্ঞান
৩) নুরে মদীনা ইত্যাদি
এছাড়াও তার প্রতিটি বয়ান সংগৃহীত হয় এবং
বই আকারে লিপিবদ্ধ হয়।