পেপিনোমেলন চাষ Pepino Melon বাংলাদেশের মাটিতে সম্ভব কি না? যারা এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন আজকের এই ভিডিওটা তাদের জন্য। পেপিনো মেলন ফল, pepino melon fruit, পেপিনো মেলন ফলের পুষি ও ঔষুধিগুণ, পেপিনোমেলন ফলের বর্ননা, বাংলাদেশে চাষ হচ্ছে নতুন ফল পেপিনো মেলন, । পেপিনো মেলন (pepino melon) সুস্বাদু ও পুষ্টিগুণে ভরপুর একটি নতুন ফল। এর বৈজ্ঞানিক নাম Solanum muricatum। এই ফলে ৯৩% পানি রয়েছে। এ ফল কাঁচাও খাওয়া যায়। বাংলাদেশে প্রথম পেপিনোমেলন ফলের চাষ হয়েছিল রংপুরের মাটিতে।
#পেপিনোমেলন #Pepino #Melon
বর্তমানে যশোরের কৃষক তাজুল ইসলাম তার এক বিঘা জমিতে পেপিনোমেলন এর চাষ করেছেন। তবে দাম না পাওয়ায় হতাশ তিনি।দেখতে খানিকটা বেগুন কিংবা ডাবের মতো মনে হলেও এটি একটি ফল। গাছে ফুল ফোটার ৩০-৫০ দিনের মধ্যেই ফল পরিপক্ব হতে শুরু করে। এই ফলের ওজন ৩০০-৫০০ গ্রাম পর্যন্ত হয়ে থাকে। এ ফলের বিচিও খাওয়া যায়।
আমরা উদ্যোক্তার খোঁজে টিম সবসময় সচ্ছতার পরিচয় দিয়ে থাকি ভিডিও প্রতিবেদনের ক্ষেত্রে। কয়েকদিন যাবৎ অনেক কমেন্ট এবং মেসেজ পেয়েছি নতুন জাতের এই বিদেশী ফল পেপিনোমেলন চাষ করে আদৌ লাভ করা যাবে কি না। তারই পরিপ্রেক্ষিতে আজ এই ফলটির চাষের বিস্তারিত সহ বাজার ব্যবস্থা নিয়ে তথ্য তুলে ধরার চেস্টা করলাম।
চাষ পদ্ধতি সহজ ও খরচ কম হওয়ায় এই ফলে লাভের পরিমাণও তুলনামূলক বেশি। এছাড়াও তাজুল ইসলামের সাফল্য দেখে এই ফল চাষে আগ্রহী হচ্ছেন স্থানীয় অন্য কৃষকরাও। ফলে তিনি চারা বিক্রি করেও লাভবান হচ্ছেন।
পুষ্টিবিদদের মতে, ক্যান্সার প্রতিরোধী এন্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ফলটি শরীরের জন্য খুবই কার্যকরী। তাই সুস্বাদু ও মুখরোচক পেপিনোমেলন চাষ, আমাদের দেশে এক সম্ভবনাময়ী ফল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা ।
খামারির ঠিকানাঃ
তাজুল ইসলাম
চৌগাছা,যশোর
যোগাযোগঃ 01780-329037